বেতনের অর্ধেক টাকাও পায় না খুমেক হাসপাতালের আউট সোর্সিং কর্মচারীরা || AndNewsBD
সরকার নির্ধারিত সাড়ে ১০ হাজার টাকার অর্ধেক টাকাও পাচ্ছেন না খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আউট সোর্সিং কর্মচারীরা।
এক যুগের বেশি সময় কাজ করে যাওয়া এসব কর্মচারীরা বেতনের বেলায় বঞ্চিত হচ্ছেন। মাত্র ১৮শ’ টাকায় কাজ শুরু করেন তারা। বিভিন্ন কর্তন শেষে ১০ হাজার টাকা নীট বেতন সরকার নির্ধারণ করলেও এসব কর্মচারীরা পাচ্ছেন সাড়ে চার হাজার টাকা, কেউ কেউ পাঁচ হাজার টাকা। ফলে সংসার চালাতে বিভিন্ন হাসপাতাল বা ভিন্ন পেশায় দিনরাত পরিশ্রম করতে হচ্ছে এসব কর্মচারীদের। কেউ কেউ বিভিন্ন সময় হাসপাতারের দুর্নীতির সাথেও জড়িয়ে পড়ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ১৮শ’ টাকায় কাজ করার পর তিন হাজার টাকায় দিনরাত পরিশ্রম করছেন হাসপাতালের আউট সোর্সিং-এর কর্মচারীরা। নির্ধারিত বেতনের চেয়ে অনেক কম টাকা দেওয়ার অভিযোগ খান এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক বরাবর একাধি কবার আবেদন ও স্মারকলিপি দিলে সর্বশেষ বেতন এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়, যা নির্ধারিত বেতনের অর্ধেক এরও কম।
হাসপাতালে সূত্রে জানায়, সরকারি চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে প্রতিদিন জনপ্রতি ৪৩০ টাকা প্রদান করা হয়। সে হিসেবে মাসে বেতন হচ্ছে ১২ হাজার ৯শ’ টাকা। এর থেকে শতকরা ১৫ ভাগ ভ্যাট ও ৪ ভাগ কর বাদ দিয়ে জনপ্রতি কর্মচারি বেতন বাবত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে সরকার দিচ্ছে ১০ হাজার ৪৪৯ টাকা।
আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত পোস্ট অপারেটিভ এ দায়িত্ব পালনরত মোঃ নাসির এ প্রতিবেদককে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আমল থেকে আমরা মাত্র ১৮শ’ টাকা বেতনে কাজ করছি। মাঝে তা বাড়িয়ে ৩ হাজার করা হয়েছিলো। এরপর সুপারের কাছে বার বার বলার পরে তার হস্তক্ষেপে এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়। তিনি বলেন, আমাদেরও সংসার রয়েছে। মাত্র সাড়ে চার হাজার বা পাঁচ হাজার টাকা বেতন দিয়ে কিভাবে সংসার চালাবো। সরকার তো এখন অনেক টাকা দিচ্ছে। তাহালে আমাদের সাথে এমন হবে কেন।
খান এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ মুজিবুর রহমান লুলু এ প্রতিবেদককে বলেন, ভ্যাট-করসহ সরকারি অন্য দপ্তরের খরচ দিতে হচ্ছে, যার মূল টাকার শতকরা ৪০ ভাগ খরচ হয়ে যায়। তারপর বাকি টাকা থেকে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত কর্মচারিদের বেতন প্রদান করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে শ্রমিকদের চাহিদা অনুযায়ী আবারও বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, আউটসোর্সি কর্মচারিদের বেতন ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এটি এম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, আমি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে তাদের বেতন বিষয়ে কথা বলেছি। তারা ন্যায্য বেতনটা যেনো পায়। সম্প্রতি তাদের বেতন এক হাজার টাকা বাড়ানো হবে। দুই মাস পড়ে নতুন টেন্ডার হবে। সে সময় যাতে এসব শ্রমিক ন্যায্য অর্থ পায় সে ব্যাপারে অবশ্যই নজর দেয়া হবে।
এক যুগের বেশি সময় কাজ করে যাওয়া এসব কর্মচারীরা বেতনের বেলায় বঞ্চিত হচ্ছেন। মাত্র ১৮শ’ টাকায় কাজ শুরু করেন তারা। বিভিন্ন কর্তন শেষে ১০ হাজার টাকা নীট বেতন সরকার নির্ধারণ করলেও এসব কর্মচারীরা পাচ্ছেন সাড়ে চার হাজার টাকা, কেউ কেউ পাঁচ হাজার টাকা। ফলে সংসার চালাতে বিভিন্ন হাসপাতাল বা ভিন্ন পেশায় দিনরাত পরিশ্রম করতে হচ্ছে এসব কর্মচারীদের। কেউ কেউ বিভিন্ন সময় হাসপাতারের দুর্নীতির সাথেও জড়িয়ে পড়ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ১৮শ’ টাকায় কাজ করার পর তিন হাজার টাকায় দিনরাত পরিশ্রম করছেন হাসপাতালের আউট সোর্সিং-এর কর্মচারীরা। নির্ধারিত বেতনের চেয়ে অনেক কম টাকা দেওয়ার অভিযোগ খান এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক বরাবর একাধি কবার আবেদন ও স্মারকলিপি দিলে সর্বশেষ বেতন এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়, যা নির্ধারিত বেতনের অর্ধেক এরও কম।
হাসপাতালে সূত্রে জানায়, সরকারি চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে প্রতিদিন জনপ্রতি ৪৩০ টাকা প্রদান করা হয়। সে হিসেবে মাসে বেতন হচ্ছে ১২ হাজার ৯শ’ টাকা। এর থেকে শতকরা ১৫ ভাগ ভ্যাট ও ৪ ভাগ কর বাদ দিয়ে জনপ্রতি কর্মচারি বেতন বাবত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে সরকার দিচ্ছে ১০ হাজার ৪৪৯ টাকা।
আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত পোস্ট অপারেটিভ এ দায়িত্ব পালনরত মোঃ নাসির এ প্রতিবেদককে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আমল থেকে আমরা মাত্র ১৮শ’ টাকা বেতনে কাজ করছি। মাঝে তা বাড়িয়ে ৩ হাজার করা হয়েছিলো। এরপর সুপারের কাছে বার বার বলার পরে তার হস্তক্ষেপে এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়। তিনি বলেন, আমাদেরও সংসার রয়েছে। মাত্র সাড়ে চার হাজার বা পাঁচ হাজার টাকা বেতন দিয়ে কিভাবে সংসার চালাবো। সরকার তো এখন অনেক টাকা দিচ্ছে। তাহালে আমাদের সাথে এমন হবে কেন।
খান এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ মুজিবুর রহমান লুলু এ প্রতিবেদককে বলেন, ভ্যাট-করসহ সরকারি অন্য দপ্তরের খরচ দিতে হচ্ছে, যার মূল টাকার শতকরা ৪০ ভাগ খরচ হয়ে যায়। তারপর বাকি টাকা থেকে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত কর্মচারিদের বেতন প্রদান করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে শ্রমিকদের চাহিদা অনুযায়ী আবারও বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, আউটসোর্সি কর্মচারিদের বেতন ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এটি এম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, আমি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে তাদের বেতন বিষয়ে কথা বলেছি। তারা ন্যায্য বেতনটা যেনো পায়। সম্প্রতি তাদের বেতন এক হাজার টাকা বাড়ানো হবে। দুই মাস পড়ে নতুন টেন্ডার হবে। সে সময় যাতে এসব শ্রমিক ন্যায্য অর্থ পায় সে ব্যাপারে অবশ্যই নজর দেয়া হবে।

No comments