বিশ্বনবি রমজানে যে কাজগুলো বেশি করতেন || AndNewsBD
আল্লাহর ভয় অর্জনের মাস রমজান।
ধীরে ধীরে তৌকিয়া অর্জনের এ মাস শেষ হয়ে আসছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ২ মাস আগে থেকেই রমজানের ইবাদত-বন্দেগী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলেন। আর রমজান মাস জুড়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল এবং ইবাদত অতিবাহিত করতেন।
ইফতারে সুস্বাদু ছানার জিলাপি || AndNewsBD
শাহরী ও ইফতারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা এবং শেষে আলহামদুলিল্লাহ।
>> সূর্যাস্ত সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা এবং শেষ রাতে ভোর হতে চলেছে মুহূর্তে সাহেব খাওয়া।
>> রোজাই মেসওয়াক করা। এটা দিন যে কোন সময়ে হোক কোন অসুবিধা নেই।
>> ঝগড়া বিবাদ না করা। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা এবং নিরবতা অবলম্বন করা। কেউ ঝগড়া করলে এ কথা বলবে- 'আমি রোজাদার, আমি রোজাদার'।
>> রমজান রাতের নামাজ অর্থাত্ ইশার সালাত আদায় করে তরীবিহ সালাত আদায় করা। কেউ কেউ নামাজকে সুন্নত বলে, আবার অনেকে মোস্তাহাব বলেন। তবে হাদিসে এসেছে-
'যদি কোন ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের নিয়তে রামজানের রাতে (তরীবিহ) সালাত পড়বে, আল্লাহ তা'আলা সেই ব্যক্তিকে পূর্ববর্তী জীবন সব পাপাফ মাফ করবেন।'
কোহলিকে বিশ্বকাপে নিজের দলে চাইতেন মাশরাফি || AndNewsBD
>> রমজানে ওমরা করা সূর্যনাত। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'রমজানের একটি ওমরা আদায় হজ সমান সওয়াব আছে।'
>> রমজান মাসে শেষ দশকে ইবাদত উদ্দেশ্যে পাপাফ মাফের মাধ্যমে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়া যায় মর্যাদাপূর্ণ রাত 'লাইলাতুল কাদের' তালাশে মসজিদ ইতেকাফে বসা। রোজা ফরজ হ'ল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন।
আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহ্ রোযা পালনের পাশাপাশি বিশ্বনিবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আমলসমূহ যথাযথভাবে আদায় করে দিতাম রহমত বর্ক মগফেরাত ও জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি লাভের তওফিক দান করুন। অতীত জীবন সব পাপনাগ থেকে নিজেকে মুক্ত করুন তওফিক দান করুন। আমিন।
রহমত লাভ গুনাহ মাফ এবং জাহান্নাম আগুন থেকে মুক্তির মাস রমজান। এ মাসের এক মাসে ফজিলতপূর্ণ কাজ হ'ল ইফতারের জন্য অন্য রোজাদারকে ডওয়াত দেওয়া, পরস্পরকে ইফতার বিতরণ করা। বিশেষ এটা যদি গরিব-অসহায় তবে এটি সর্বোত্তম কাজ। হাদিসে এসেছে-
'যে অন্য রোজাদারকে ইফতার করাবে, বা ইফতারি বিতরণ করবে সেও তার সমান সওয়াব পাবে। ইফতারকারীর সাওয়াব থেকে কিছুটা কমানো হবে না। '
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মতকে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হয়ে ওঠার জন্য রমজান মাসব্যাপী ইবাদত বন্দেগী করার গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি নিজেই ইবাদত-বন্দেগী কাটিয়েছেন রমজান মাস। যা তার উম্মতের জন্য সুমহান শিক্ষা।
আল্লাহ প্রিয় বান্দা হতে বিশ্বনবী শেখানো যে কাজগুলো করা জরুরি-
>> Ramadan আল্লাহ জিকির দিন দিন-রাত অতিবাহিত।
>> কুরআনুল কুরআন তেলাওয়াত ও তাফসীর পড়া বেশী।
>> অসহায়, গরিব-দুঃখী মানুষকে ইফতার ও সাহেব করানো।
>> Ramadan মাসজুরে বেশি দান দান-সাদকা করা।
>> অতীত জীবন পাপনাফ মাফ রামজানে রাতে (তরীবিহ) সালাত পড়া।
>> আরো বেশি repentance- ইসটগফার করা।
>> আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়া-প্রতিবেশী দান-সহযোগিতা করা।
>> অসুস্থ মানুষের সেবা এবং সহযোগিতা করা।
>> পরিবার এবং সমাজের সাথে সুসম্পর্ক রাখা।
>> আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা না।
>> মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ ও মাগফেরাত কামনা করা।
>> খেজুর দিয়ে সাহরী এবং ইফতার করা। খেজুর পাওয়া না হলে সাদা পানির পানিতে তা শুরু হয়।

No comments